শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, যেহেতু শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু আমাদের আরাধ্য, তাই কৃষ্ণাষ্টমী ও গৌর পূর্ণিমা ব্রত ইস্কনের সকলেই বাধ্যতামূলক পূর্ণ দিবস করবে। অন্যান্য ব্রত যেমন নৃসিংহ চতুর্দশী, রাম নবমী ইত্যাদি ব্রত কেউ চাইলে পূর্ণ দিবস করতে পারে, কিন্তু তাতে বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সকল ভক্ত উৎসবান্ত(আবির্ভাবকাল) পর্যন্ত ব্রত ধারণ করবে।
এ বিধান হরিভক্তিবিলাসে গোস্বামীবাক্য সিদ্ধ এবং শ্রী নারদীয় মহাপুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ, বায়ুপুরাণ সহ অসংখ্য শাস্ত্রে আছে।
“কেচিচ্চ ভগবজ্জন্ম মহোৎসব দিনে শুভে ।
ভক্ত্যোৎসবাস্তে কুৰ্ব্বস্তি বৈষ্ণবা ব্রতপারণম্” ॥৪০৫॥
#অনুবাদ–
কেহ কেহ পবিত্র পরম উত্তম ভগবানের জন্ম(আবির্ভাব) মহোৎসব দিনে বৈষ্ণবগণ দাস্য ভক্তিসহ উৎসবান্তে ব্রত পারণ করিয়া থাকেন ।
“তথা চোক্তং গারুড়ে—
তিথ্যন্তে চোসবাস্তে বা ব্রতী কুব্বীদ্ধ পারণম্” ৷৷৪০৬
#অনুবাদ—
ঐরূপ গরুড়পুরাণে উক্ত আছে – ব্ৰতাচরণকারী পরদিন তিথির অন্তে, অথবা ঐ দিন উৎসবান্তে পারণ করিবেন ৷৷ ৪০৬ ৷৷
“বায়ুপুরাণে চ—
যদীচ্ছে সৰ্ব্বপাপানি হস্তং নিরবশেষতঃ ।
উৎসবান্তে সদা বিপ্র জগন্নাথান্নমাশয়ে” ৷৷ ইতি ৷৷ ৪০৭॥
#অনুবাদ–
বায়ুপুরাণেও নিঃশেষে যদি সৰ্ব্ববিধ পাপ ধ্বংস করিতে ইচ্ছা কর, হে বিপ্র! উৎসবান্তে সৰ্ব্বদা জগন্নাথদেবের অন্নপ্রসাদ ভোজন করাইবে ।
♦নির্জলা অপবাসে অসমর্থ হবিষ্যান্ন গ্রহণের বিধান রয়েছে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে—


~হরে কৃষ্ণ,ধন্যবাদ~
স্বধর্মম্

