ন দদ্যাদামিষং শ্রাদ্ধে ন চাদ্যাদ ধর্মতত্ত্ববিৎ ।
মুন্যন্নৈঃ স্যাৎ পরা প্রীতির্যথা ন পশুহিংসয়া ॥
নৈতাদৃশঃ পরো ধর্মো নৃণাং সদ্ধর্মমিচ্ছতাম্ ।
ন্যাসো দণ্ডস্য ভূতেষু মনোবাক্কায়জস্য যঃ ॥
[শ্রীমদ্ভাগবতম ৭/১৫/৭-৮]
~ ধর্মতত্ত্বজ্ঞ ব্যক্তি শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে কখনও মাছ, মাংস, ডিম ইত্যাদি আমিষ নিবেদন করবেন না, এবং তিনি যদি ক্ষত্রিয়ও হন, তা হলেও স্বয়ং আমিষ আহার করবেন না। যখন ঘি দিয়ে তৈরি উপযুক্ত খাদ্য সাধুদের নিবেদন করা হয়, তখন পিতৃপুরুষ এবং ভগবান অত্যন্ত প্রসন্ন হন। যজ্ঞের নামে পশুহিংসা করা হলে তাঁরা কখনও প্রসন্ন হন না। যাঁরা শ্রেষ্ঠ ধর্মের মাধ্যমে উন্নতি সাধন করতে চান, তাঁদের অন্য সমস্ত জীবদের প্রতি কায়, মন, এবং বাক্যের দ্বারা হিংসা না করতে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তার থেকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম আর নেই।



শ্রাদ্ধে জীবহিংসা যেহেতু নরকবাসের কারণ, তাই কলিকালে পিতৃশ্রাদ্ধে মাংস নিবেদন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে শাস্ত্রসমূহ-
(ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ-কৃষ্ণজন্ম খন্ড ১১৫/১০৯)বলা হয়েছে- “এই কলিযুগে অশ্বমেধ যজ্ঞ, গোমেধ যজ্ঞ,সন্ন্যাস আশ্রম(একদন্ডী সন্ন্যাস), শ্রাদ্ধনুষ্ঠানে মাংস নিবেদন ও দেবরের দ্বারা সন্তান প্রাপ্তি সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ”।